টিপস

মেয়ে পটানোর সহজ উপায় : ১০ টি নিয়ম মানলে মেয়ে পটে যাবে ১০০%

ভালোবাসা হল পবিত্র একটি অনুভূতি আর ভালোবেসে নারী সঙ্গ কোন পুরুষই না চায়! একাকীত্ব সকলকেই তারা করে বেড়ায়, বেশিরভাগ পুরুষের জীবনে নারীর অভাব স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর। তাই নারীই পারে তাকে ভালোবাসার জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে। আপবার হয়তো কোন মেয়েকে পছন্দ হয়েছে কিন্তু লজ্জায় বলতে পারছেন না। ঠিক এর কয়েকমাস পর মেয়েটি হয়তো অন্যকোন ছেলের হাত ধরে ঘুরছে। এর পিছনে মেয়েটা দায়ী নয় দায়ী আপনি কেননা মেয়েরাও আপনার মত কোন ছেলেকে চায় যাকে সে মনখুলে তার ভালোবাসার কথা বলবে। আপনি হয়তো মেয়েদের মনমাসকিতা সম্পর্কে না জানা থাকায় মেয়েদের বলতে পারেন না আর অন্যদিকে যে ছেলেরা জানে তারা কিন্তু ঠিকই আপনার পছন্দ করা মেয়ে নিয়ে ভেগে যাচ্ছে।

সম্মানিত পাঠক হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আজকে আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো মেয়ে পটানোর গোপন ১০ টি কলাকৌশল। যা মেনে চললে আপনারা ১০০% মেয়ে পটাতে পারবেন।আজ যে উপায়সমূহ নিয়ে কথা বলব সে বিষয়গুলি কিন্তু অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে নয়তো সুতো আর লাটাইতে বাঁধতে পারবেন না। চলুন আর অপেক্ষা না করে মেয়ে পটানোর উপায় এবং ফেসবুকে মেয়ে পটানোর সহজ উপায় সম্বন্ধে বিস্তারিত আলচনায় প্রবেশ করা যাক।

মেয়ে পটানোর ১০ টি সহজ উপায় অনেক ছেলেই আছে কোন মেয়ে দেখে হয়তো তার ভালো লাগলো, কিন্তু বলতে পারে না লজ্জায়। হয়তো ভাবে মেয়েটা কিভাবে নিবে বিষয়টা। যদি সে না বলে দেয়? তাই আপনাদের এই মনের দ্বিধাকে দূর করে সমাধানের জন্য রইল এই ১০ টি উপায়:

মেয়ে পটানোর সহজ দশটি উপায়

হ্যালো আপনি কি মেয়ে পটানোর জন্য চেষ্টা   করতেছেন । তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন । আমি আমার পোস্টের মাধ্যমে মেয়ে পটানোর নিয়ম গুলো দিয়ে দিব । আশা করছি এই নিয়মগুলো ফলো করলে আপনি মেয়ে পটাতে পারবেন । আর আপনার পছন্দের মানুষটিকে সারা জীবনের জন্য আপনার পাশে নিতে পারবেন । তাহলে আর দেরি না করে জেনে নিন কিভাবে মেয়ে পটাবেন ।

১.কোন মেয়েকে যদি আপনার প্রথম দেখায় পছন্দ হয় তাহলে তার সাথে বেশিক্ষণ কথা বলবেন না। যতটা পারা যায় নিরব থাকুন। কেননা মেয়েরা বেশি কথা বলা ছেলেকে পছন্দ করে না। নিজত্ব বজায় রাখুন। মেয়েরা মূলত বেশি কথা বলা পছন্দ করে তাই যতটা পারবেন তার কথা মন দিয়ে শোনার।

২. এরপরও দেখেন যদি মেয়েটা কথা বলছে না আপনায় তাহলে বুঝতে হবে এবার আপনার বলার পালা। কথা বলতে বলতে মাঝে মাঝে তার প্রশংসা করুন, কিন্তু হ্যাঁ মনে রাখবেন সেটি যেন যুক্তিযত হয়, মেয়েটির যেই গুনটি আছে সেটি নিয়েই প্রশংসা করুন, কারন অনেক মেয়ে আছে যারা অযথা মিথ্যা প্রশংসা পছন্দ করে না। তাই এই ক্ষেত্রে সাবধানে পা বাড়াবেন

৩. উপহার পেতে মেয়েরা খুব ভালোবাসে। তাই পরবর্তী দেখায় কোন ছোট্ট উপহার নিয়ে যান। সবচেয়ে ভালো হয় কোন ফুল বা চকলেট। কখনোই ভুলে করেও দামী কোন কিছু নিয়ে যাবেন না ।

৪. মেয়েটার সঙ্গে ঘটা তার দু:খ কষ্ট সহ ঘটা সব কথা শুনুন এবং তাকে বোঝান তার পাশে আপনি আছেন। মন খুলে গল্প করুন সে যা বলে সব শুনুন। তার কথায় ভাব অনুযায়ী হ্যা বা না বলুন। কখনোই তার সাথে তর্কে যাবেন না।

৫. মেয়েরা একটু অগাছালো ছেলে পছন্দ করে। তাই তাদের সামনে নিজেজে স্মার্ট হিসাবে দেখাতে বেশি গোছগাছ হয়ে যাবেন না।

৬. যদি দেখেন মেয়েটা খুব গম্ভীর ও চুপচাপ থাকে তাহলে একটু রসিকতা করুন। তাকে হাসানোর জন্য বিভিন্ন জোকস বলুন এবং নিজে হাসুন।

৭. নিয়মিত তার ফোনে মেসেজ করে খোঁজ খবর নিন। কখনো অতিরিক্ত কথা বলে বিরক্ত করবেন না। অবশ্যই শুভরাত্রি ও শুভ সকাল জানাতে ভুলবেন না।

৮. তার হ্যাঁ তে হ্যাঁ ও না তে না বলা প্র্যাকটিস করুন। কিন্তু যদি দেখেন সে ভুল পথে অগ্ৰসর হচ্ছে তাকে সঠিক রাস্তা দেখান, কিন্ত ভুলেও তর্ক বিতর্কে যাবেন না, নিজেকে সঠিক প্রমান করার প্রচেস্টায় থাকবেন না।

৯. অনেক মেয়ে আছে যাদের একটু বেশী দেমাগ, কিছুতেই আপনাকে পাত্তা দিচ্ছে না তাঁদের ক্ষেত্রে একটু আলাদা ট্রিটমেন্ট । মাইনাসে মাইনাসে প্লাস হয় জানেন তো সেটাই এপ্লাই করুন। মেয়েটিকে একদমই পাত্তা দেবেন না। পারলে তার সামনে অন্য মেয়েদের সাথে কথা বলুন , হাসাহাসি করুন, অতেই কাজ হবে। মেয়েটি কিন্তু ভেতর ভেতর জ্বলতে থাকবে। দেখবেন আপনাকে বেশী কষ্ট করতে হচ্ছে না, সেই মেয়ে নিজেই এসে কথা বলছে।

১০. যদি এতো কিছু করেও কোন কাজ না হয়, তাহলে আঙুল বাঁকান, কারন ‘সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকাতে হয়’। মেয়ের মা বা বাবাকে পটান। যদি সুযোগ হয় দুজনকেই পটিয়ে নিন। কারন তারা পটে গেলে আপনার কাজ সহজ হয়ে পারে। কে বলতে পারে আপনার হিল্লে হয়ে গেল।

jahid

আমি জাহিদ হাসান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর সরকারি কলেজ থেকে রসায়ন বিজ্ঞান থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পূণ করে ২০18 সাল থেকে সমাজের সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছি । নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী।তাই আমি justnow247 ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। যাতে করে মানুষের অনলাইনে সেবা করতে পারি । মানুষের দৈনিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারি যেগুলো দেখার জন্য মানুষ অনলাইনে সার্চ করে থাকেন । আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন আমি যেন ভালোভাবে কাজ করে সফল হতে পারি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.