টিপস

মায়েদের গর্ভকালীন সময় কোষ্ঠকাঠিন্য ও প্রতিরোধের উপায়

বর্তমান সময়ে মেয়েদের গর্ভকালীন কালীন সময়ে যেসব সমস্যা দেখা যায় তার মধ্যে অন্যতম হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। এর ফলে গর্ভকালীন সময়ে এই নিয়ে ভীষণ চিন্তিত থাকে। সম্মানিত পাঠক আজকে আমরা জানবো কি কি কারণে গর্ভকালীন সময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় এবং এমনটা যদি হয়ে যায় তাহলে এর থেকে মুক্তির উপায় কি কি। তাহলে আসুন শুরু করি, সম্পূর্ণ লেখাটি পড়লে আশা করি আপনারা কোষ্ঠকাঠিন্য হতে কিভাবে মুক্ত হওয়া যায় এবং এমনটা যেন না তার জন্য কি কি করণীয় সবকিছু বিস্তারিত জানতে পারবেন।

প্রথমে আমাদের নিশ্চিত হতে আপনি কি সত্যিই কি কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে আক্রান্ত না অন্য রোগে। সম্মানিত পাঠক অতিরিক্ত মশলা যুক্ত খাবার, ফাষ্টফুড, গরু, খাসির মাংস তথা লাল মাংস অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি দেখা যায়।তাই এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রথমে লাল মাংস যেমন গরু, খাসির মাংস খাওয়া বন্ধ করুন। অন্যঅন্য খাবারে মশলা কম যুক্ত করুন।

প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাখসবজি রাখুন আপনার খাদ্য তালিকায়। অবশ্যই ফরমালিন মুক্ত সবুজ শাখসবজি। এছাড়া রঙ্গিন, সবুজ ফলমূল নিয়মিত খাওয়া। যদি আপনার খাদ্যতালিকায় সবুজ শাখসবজি কম থাকে ও মশলাযুক্ত খাবার বেশি থাকে তাহলে আজকেই এর পরিবর্তন নিয়ে আসুন আপনার খাদ্যতালিকা হতে।

কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে আক্রান্ত হলে করণীয়

সম্মানিত পাঠক এখন আমরা জানবো কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কিভাবে এই রোগের সমাধান করবো।

১. প্রচুর পরিমাণে বিশুদ্ধ জল পান করুন এবং তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন।

২. আপনার প্রতিদিনে খাদ্যতালিকায় ফল ফল ও শাখসবজি বেশি করে রাখতে হবে। চেষ্টা করতে হবে জুস না আস্ত চিবিয়ে খাওয়ার এতে করে ফাইবার বা আশঁ থাকে যা আপনার মলত্যাগে সাহায্য করবে।

৩. প্রতিদিন ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দুধ খাওয়া। ৪. ফাষ্টফুড, তৈলযুক্ত মশলাদর খাবার সহ লাল মাংস খাওয়া সহ কাঁচকলা খাওয়া হতপ বিরত থাকা।

৫. প্রতিদিন নিয়ম করে হাটাচলা ও ব্যায়াম করা। তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া ভোরবেলা ঘুম থেকে জেগে উঠা।

৬. কিছুদিন আয়রন ট্যাবলেটকে অফ রেখে ফলিকএসিড খেতে পারেন। আর যদি একান্ত ই খেতে হয় তাহলে Ferrous Ascorbate খেতে পারেন। এসিডিটির সমস্যা হলে এন্টিআলসারেন্ট খেতে পারেন।

৭. নিয়মিত প্রতিদিন সকালবেলা ইসবগুলি এক গ্লাসে ভিজিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নিন। বেশিক্ষণ গুলিয়ে রেখে খাওয়া যাবে না।

৮. সিরাপ মিল্ক অব ম্যগনেশিয়া প্রতিদিন নিয়মঅনুযায়ী খাবেন।

পরামর্শ

গর্ভের শুরুতে বা ফাস্ট ট্রাইমেস্টারে Threatened abortion এর চান্স থাকে। সুতারং এই বিষয়ে রোগীকে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।নিয়মঅনুযায়ী গর্ভকালীন চেকআপ করতে হবে। এই সমস্যা সমাধান না করলে আপনি যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন তা হলো,

১. মলত্যাগে অতিরিক্ত প্রেসারে গর্ভের শিশুর উপর চাপ পড়তে পারে।

২. পেটে মৃদু সহ ভারী ব্যাথা হবে।

৩. মলদ্বার থেকে রক্তপাত হতে পারে।

৪. মলদ্বারে ব্যাথা বা ছিঁড়ে যেতে পারে এমনকি ইনফেকশন হতে পারে।

পরিশেষে বলবো খুব বেশি অসুবিধা হলে। সময় নষ্ট বা করে ভসলো কোন চিকিৎসক এর পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

jahid

আমি জাহিদ হাসান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর সরকারি কলেজ থেকে রসায়ন বিজ্ঞান থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পূণ করে ২০18 সাল থেকে সমাজের সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছি । নতুনের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরস্থায়ী।তাই আমি justnow247 ওয়েবসাইটে নিয়মিত লেখালেখি করি। যাতে করে মানুষের অনলাইনে সেবা করতে পারি । মানুষের দৈনিক চাহিদাগুলো পূরণ করতে পারি যেগুলো দেখার জন্য মানুষ অনলাইনে সার্চ করে থাকেন । আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন আমি যেন ভালোভাবে কাজ করে সফল হতে পারি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.